
ঢাকা প্রতিনিধি:
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ও সব ধরনের রেকর্ডিং ডিভাইস বহনে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন একটি অন্ধকার ও বিপজ্জনক পথে হাঁটার চেষ্টা করছে, যা জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে অপরাধ গোপন করা যায় এবং হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া যায়। আজ আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, একই কৌশলে ভোটের দিন কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল, ক্যামেরা ও রেকর্ডিং নিষিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। কার ইশারায় নির্বাচন কমিশন এই অন্ধকার পথে হাঁটছে, তা জাতি জানতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ে যেসব অপকর্ম মেনে নেওয়া হয়নি, আজও তা মেনে নেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’
একই সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাহিদ ইসলামের ঘোষণার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আজ সন্ধ্যার আগেই যদি এই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করে জনগণকে স্পষ্ট বার্তা না দেওয়া হয় এবং নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হবে। এর দায়ভার সম্পূর্ণভাবে তাদেরই নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই— জুলাই যোদ্ধারা ঘুমিয়ে পড়েনি। তারা এখনো জেগে আছে। জনগণের ভোট ছিনতাই করার কোনো দুঃসাহস দেখাবেন না। ইনশাআল্লাহ আমরা সব ধরনের অপকর্ম প্রতিহত করব।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যদি কেউ আবার দেশকে ফ্যাসিবাদের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে জুলাইয়ের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তা রুখে দেবে।’