
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় অপহরণের মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও এলাকা থেকে এক স্কুলছাত্রকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ের কর্মচারী খন্দকার শামীমের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে খিলগাঁওয়ের একটি নির্মাণাধীন সাততলা ভবন থেকে উদ্ধার করা হয়।
বিএনপি মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, ছেলের অপহরণের খবর শুনে খন্দকার শামীম কাঁদতে কাঁদতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ছুটে যান এবং সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বিষয়টি জানামাত্রই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোন করে দ্রুত উদ্ধার অভিযানের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন,
“খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশের এক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ সফলভাবে ছেলেটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।”
পুলিশ জানায়, অপহৃত শিক্ষার্থী খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুল ছুটি শেষে বের হলে ৪-৫ জন অপহরণকারী তাকে জোরপূর্বক জোড়পুকুর এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং পরিবারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম জানান, অপহরণকারীদের ব্যবহৃত ফোন নম্বর ট্র্যাক করে এবং কৌশলে কথোপকথনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, “অপহরণকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এ ঘটনায় দ্রুত উদ্ধার অভিযানে পুলিশের তৎপরতা এবং প্রধানমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিশুটির পরিবার ও সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।