ভেনিজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপে উদ্বেগ জানাল বাংলাদেশ।
- আপডেট সময় : ১১:২৭:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভেনিজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়,
“ভেনিজুয়েলায় সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে।”
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়,
“বাংলাদেশ বিশ্বাস করে—দেশগুলোর মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তির সর্বোত্তম উপায় হলো কূটনৈতিক সংলাপ ও আলোচনা।”
এতে বাংলাদেশ জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি দেশের অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখাই টেকসই শান্তির পূর্বশর্ত।
মাদুরো দম্পতিকে যুক্তরাষ্ট্রে আটক
এর আগে শনিবার ভেনিজুয়েলায় এক বিশেষ অভিযানে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। পরে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ব্রুকলিনে অবস্থিত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়া হয়।
প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে শনিবার রাতেই মাদুরো দম্পতিকে বন্দিশিবিরে পাঠানো হয়। আজ সোমবার তাদের যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে শুনানির জন্য হাজির করার কথা রয়েছে।
মাদক ও অস্ত্র পাচারের অভিযোগ
মার্কিন কর্তৃপক্ষ নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগ এনেছে। একই সঙ্গে মাদুরোর পুত্র নিকোলাস মাদুরো গুয়েরার বিরুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মাদক পাচারের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার নথিতে ভেনিজুয়েলার পার্লামেন্ট সদস্য গুয়েরাকে ‘নিকোলাসিতো’ বা ‘রাজপুত্র’ নামেও উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া বাড়ছে
ভেনিজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অভিযানের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ ও আলোচনা বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সরাসরি হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
বাংলাদেশের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিসরে কূটনৈতিক সমাধান ও আইনের শাসনের পক্ষে একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।










