ড্রোন উৎপাদন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে বাংলাদেশ–চীনের G2G চুক্তি স্বাক্ষর
- আপডেট সময় : ০৩:১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৩১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা:
ড্রোন উৎপাদন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে বাংলাদেশ–চীনের G2G চুক্তি স্বাক্ষর:
ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সরকার-থেকে-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ঢাকায় বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন ইন্টারন্যাশনাল (সিইটিসি)-এর মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও সিইটিসি ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে দেশে একটি অত্যাধুনিক আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি) বা ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজন সুবিধা স্থাপন করবে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্প-দক্ষতা উন্নয়ন এবং যৌথ প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে ইউএভি উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়ক হবে।
আইএসপিআর জানায়, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী মাঝারি উচ্চতায় দীর্ঘ সময় উড্ডয়নে সক্ষম (মিডিয়াম অল্টিটিউড লং অ্যান্ডিউরেন্স) ইউএভি এবং উল্লম্বভাবে উড্ডয়ন ও অবতরণে সক্ষম (ভার্টিক্যাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং) ইউএভি উৎপাদন ও সংযোজনের সক্ষমতা অর্জন করবে। এসব ড্রোন সামরিক কার্যক্রমের পাশাপাশি মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আইএসপিআর আরও জানায়, এই চুক্তির মাধ্যমে দেশীয় ইউএভি উৎপাদনে পূর্ণ স্বনির্ভরতা অর্জনের সক্ষমতা বাড়বে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, জ্ঞান বিনিময় এবং দক্ষ অ্যারোস্পেস কর্মশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সিইটিসি ইন্টারন্যাশনাল ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।










