ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

শেরপুরের সংঘ-র্ষের ঘটনায় ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ইসির

  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৩০ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরের সংঘ-র্ষের ঘটনায় ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ইসির

শেরপুরের সংঘ-র্ষের ঘটনায় ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ইসির

শেরপুরে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

এর আগে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন।

জামায়াত নেতারা বলেন, হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখনো কোনো অপরাধী গ্রেপ্তার হয়নি, যা নির্বাচনী নিরপেক্ষ পরিবেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে জনগণ এ ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করছে।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মঞ্চে অবস্থান নেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকের মধ্যে চেয়ারে বসা নিয়ে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নিলে শতাধিক মানুষ আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, এই সংঘাত এড়ানো সম্ভব ছিল কি না—তা খতিয়ে দেখা জরুরি। নির্ধারিত সময়ের আগেই একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রেখেছিল, কেন সেখানে লাঠিসোঁটা জড়ো করা হয়েছিল এবং সবার অনুরোধ উপেক্ষা করে কেন সংঘাতের পথ বেছে নেওয়া হলো—এসব বিষয়ে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় একজন মানুষ নিহত হয়েছেন—তিনি যে দলেরই হোন না কেন, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিএনপিরও ৪০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচনই সবার প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শেরপুরের সংঘ-র্ষের ঘটনায় ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ইসির

আপডেট সময় : ০৩:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুরের সংঘ-র্ষের ঘটনায় ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ইসির

শেরপুরে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

এর আগে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন।

জামায়াত নেতারা বলেন, হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখনো কোনো অপরাধী গ্রেপ্তার হয়নি, যা নির্বাচনী নিরপেক্ষ পরিবেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে জনগণ এ ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করছে।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মঞ্চে অবস্থান নেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকের মধ্যে চেয়ারে বসা নিয়ে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নিলে শতাধিক মানুষ আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, এই সংঘাত এড়ানো সম্ভব ছিল কি না—তা খতিয়ে দেখা জরুরি। নির্ধারিত সময়ের আগেই একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রেখেছিল, কেন সেখানে লাঠিসোঁটা জড়ো করা হয়েছিল এবং সবার অনুরোধ উপেক্ষা করে কেন সংঘাতের পথ বেছে নেওয়া হলো—এসব বিষয়ে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় একজন মানুষ নিহত হয়েছেন—তিনি যে দলেরই হোন না কেন, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিএনপিরও ৪০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচনই সবার প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন