সাদুল্লাপুরে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, দম্পতিকে হ-ত্যাচেষ্টার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০২:৩৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জোরপূর্বক জমি দখলের উদ্দেশ্যে নির্মাণাধীন একটি বাড়িতে সংঘবদ্ধ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাড়ির মালিক বেলাল হোসেন (৪৬) ও তার স্ত্রী রেনু বেগম (৩৫)-কে শ্বাসরোধ ও ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের মহাসড়কসংলগ্ন একবারপুর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণাধীন বাড়ির ব্যাপক ভাঙচুরের চিহ্ন এবং আতঙ্কগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের অবস্থান।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইদিলপুর ইউনিয়নের রাঘবেন্দ্রপুর গ্রামের নবির উদ্দিন হাজীর ছেলে বেলাল হোসেন পার্শ্ববর্তী একবারপুর মৌজায় তার ক্রয়কৃত জমিতে সম্প্রতি ঘরবাড়ি নির্মাণ শুরু করেন। এ জমি দখলের উদ্দেশ্যে একবারপুর গ্রামের মৃত মেসের শেখের ছেলে সুরুজ আলী শেখসহ তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি দুই দফায় সুরুজ আলী শেখের নেতৃত্বে কামরুল শেখ, ছালাম শেখ সাবলু, শরিফুল শেখসহ আরও ১০-১২ জন লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলাকারীরা বাড়ির বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করে। বাধা দিতে গেলে বেলাল হোসেনকে শ্বাসরোধে এবং তার স্ত্রী রেনু বেগমকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা করা হয়।
এতে রেনু বেগম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়।
ভুক্তভোগী বেলাল হোসেন বলেন, “আমার বৈধভাবে ক্রয় করা জমিতে ঘর নির্মাণ করায় সুরুজ আলী শেখ গংরা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালিয়ে হামলা ও লুটপাট করেছে। আমাদের হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় এজাহার দিয়েছি। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত ছালাম শেখ সাবলু বলেন, “বেলাল হোসেনের নির্মাণাধীন জমিটি ক্রয়সূত্রে আমাদের। আমরা কোনো হামলা বা ভাঙচুর করিনি।”
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।










