ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

রংপুরে নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ: ডিসির বিরুদ্ধে সরাসরি পক্ষপাতের দাবি বিএনপির

  • আপডেট সময় : ১০:২৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১২৪ বার পড়া হয়েছে

রংপুরে নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ: ডিসির বিরুদ্ধে সরাসরি পক্ষপাতের দাবি বিএনপির

স্টাফ রিপোর্টার | রংপুর:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিকল্পিতভাবে পরাজিত করে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয়ী করা হয়েছে—এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির নেতারা। এ ঘটনায় রংপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি)-এর বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং ও পক্ষপাতমূলক ভূমিকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিএনপির একাধিক প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত প্রশাসনের নিরপেক্ষতা মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তাদের দাবি, যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়াই জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ব্যক্তিদের প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হলেও জেলা প্রশাসক কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

রংপুরের একটি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“নির্বাচনকে একতরফা করতে প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে কাজ করেছে। আমাদের দেওয়া অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়নি। জেলা প্রশাসক সরাসরি পক্ষপাতমূলক ভূমিকা পালন করেছেন।”
এ সময় তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ডিসির প্রতি ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

বিএনপি নেতাদের আরও অভিযোগ, ভোটগ্রহণের দিন অনেক কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয় এবং কয়েকটি কেন্দ্রে প্রভাব খাটিয়ে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। তাদের মতে, প্রশাসনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এ ধরনের ‘নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং’ সম্ভব নয়।

তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিধি অনুযায়ী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমেই ভোটগ্রহণ পরিচালিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, রংপুর বিভাগের ছয়টি সংসদীয় আসনের সবকটিতেই ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্গণনা ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রংপুরে নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ: ডিসির বিরুদ্ধে সরাসরি পক্ষপাতের দাবি বিএনপির

আপডেট সময় : ১০:২৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার | রংপুর:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিকল্পিতভাবে পরাজিত করে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয়ী করা হয়েছে—এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির নেতারা। এ ঘটনায় রংপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি)-এর বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং ও পক্ষপাতমূলক ভূমিকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিএনপির একাধিক প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত প্রশাসনের নিরপেক্ষতা মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তাদের দাবি, যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়াই জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ব্যক্তিদের প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হলেও জেলা প্রশাসক কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

রংপুরের একটি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“নির্বাচনকে একতরফা করতে প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে কাজ করেছে। আমাদের দেওয়া অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়নি। জেলা প্রশাসক সরাসরি পক্ষপাতমূলক ভূমিকা পালন করেছেন।”
এ সময় তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ডিসির প্রতি ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

বিএনপি নেতাদের আরও অভিযোগ, ভোটগ্রহণের দিন অনেক কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয় এবং কয়েকটি কেন্দ্রে প্রভাব খাটিয়ে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। তাদের মতে, প্রশাসনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এ ধরনের ‘নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং’ সম্ভব নয়।

তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিধি অনুযায়ী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমেই ভোটগ্রহণ পরিচালিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, রংপুর বিভাগের ছয়টি সংসদীয় আসনের সবকটিতেই ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্গণনা ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন