‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ খসড়া নীতিগত অনুমোদন পেল
- আপডেট সময় : ০৭:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
- / ৪৯০ বার পড়া হয়েছে

‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ খসড়া নীতিগত অনুমোদন পেল
ঢাকা | শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার নিয়ে নতুন আইন প্রণয়নের খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, এই অনুমোদন তাড়াহুড়া করে দেওয়া হয়েছে, কারণ ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। তবে এটি চূড়ান্ত সংস্করণ নয়, প্রয়োজন হলে অংশীজনদের সঙ্গে আরও আলোচনা (কনসালটেশন) হবে।
গোলে-টেবিল বৈঠকে তিনি আরও জানান, প্রস্তাবিত আইনে গুম করার অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। খসড়া অনুমোদনের আগে দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, প্রয়োজনে আরও একটি কনসালটেশন করা হতে পারে।
গোলটেবিল বৈঠকে শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, ১৫ বছরের গুম প্রতিরোধের সংগ্রাম দীর্ঘ ও ভয়াবহ। অনেক মানুষ নির্যাতিত হয়েছেন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সব কেস সমাধান হবে না, তাই প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী আরও ট্রাইব্যুনালের প্রয়োজন হতে পারে।
জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ মানবাধিকার উপদেষ্টা হুমা খান বলেন, গুমের পুনরাবৃত্তি রোধ, সত্য উদঘাটন, বিচারের নিশ্চয়তা এবং ক্ষতিপূরণের মতো চারটি মূল পিলার নিশ্চিত করা জরুরি। তবে খসড়া আইন বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের অর্থনৈতিক ও ব্যাংক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব।
গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রধান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী উল্লেখ করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাপক ও পদ্ধতিগতভাবে গুমের ঘটনা ঘটেছে। গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদী (লুনা), সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান, মায়ের ডাকের সমন্বয়কারী সানজিদা ইসলাম, ইউপিডিএফ সংগঠক মাইকেল চাকমা প্রমুখ।










