নেত্রকোণায় জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন: সালাহ উদ্দিন আহমেদ ভোটারদের প্রতি আহ্বান
- আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
- / ১৭১ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোণায় জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন: সালাহ উদ্দিন আহমেদ ভোটারদের প্রতি আহ্বান
শনিবার ঐতিহাসিক মোক্তারপাড়া মাঠে দীর্ঘ ১১ বছর পর অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ্ উদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, স্বৈরাচারের পতনের পরও জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
সালাহ্ উদ্দিন জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ২০২৬ সালের রমজানের আগে ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে। কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে; তবে সংবিধানে এমন কোনো ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, দেশের জনগণ নির্বাচনমুখী হয়ে আছে এবং কোনো অপশক্তি ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাধা দিতে পারবে না।
সম্মেলনে সালাহ্ উদ্দিন আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস হলো গণতন্ত্র হত্যা, সন্ত্রাসবাদ ও হেলিকপ্টার থেকে নিরস্ত্র মানুষ হত্যা করার ইতিহাস। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যাতে পতিত স্বৈরাচার পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের মাধ্যমে গৃহীত সংস্কার কার্যক্রম নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হকের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ডা. মো. রফিকুল ইসলাম হিলালীর সঞ্চালনায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সৈয়দ আলমগীর, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এডভোকেট শাহ্ ওয়ারেছ আলী মামুন প্রমুখ।
সভায় জেলা বিএনপির সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক (প্রতীক: ছাতা) ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি.পি. এডভোকেট মাহফুজুল হক (প্রতীক: চেয়ার)। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডা. মো. রফিকুল ইসলাম হিলালী (প্রতীক: মাছ), এস. এম. মনিরুজ্জামান দুদু (প্রতীক: ফুটবল) ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি (প্রতীক: গরুর গাড়ি)।
সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনের পর দ্বিতীয় অধিবেশন কাউন্সিল অধিবেশনে পরিণত হয়। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলছিল।










