ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

গাইবান্ধায় শিক্ষা সচেতনতায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের অনুপ্রেরণামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / ১১৬ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: “একটি মেয়ের স্বপ্ন যেন অকালে ঝরে না পড়ে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর সোলাইমান নিসাবাগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত রোববার (১০ মে) সকাল ১১টায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আয়োজনে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধার জেলা প্রজেক্ট অফিসার মোছা. রেখা খাতুন এবং ফ্যাসিলিটেটর মোছা. শাহানা বেগম। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা এখলাছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. হামিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা জাকিয়া সুলতানা ও জেসমিন আরা বানু। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোছা. খাদিজাতুল কোবরা।

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে মোছা. রেখা খাতুন বলেন, একটি মেয়েশিশুর শিক্ষা বন্ধ হয়ে গেলে শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি মেয়েদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের বিকাশ শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কার্যক্রমও তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ সবসময় পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, শিক্ষার গুরুত্ব এবং শিশুদের নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনার শেষে উপস্থিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করা যায়।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গাইবান্ধায় শিক্ষা সচেতনতায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের অনুপ্রেরণামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: “একটি মেয়ের স্বপ্ন যেন অকালে ঝরে না পড়ে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর সোলাইমান নিসাবাগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত রোববার (১০ মে) সকাল ১১টায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আয়োজনে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধার জেলা প্রজেক্ট অফিসার মোছা. রেখা খাতুন এবং ফ্যাসিলিটেটর মোছা. শাহানা বেগম। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা এখলাছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. হামিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা জাকিয়া সুলতানা ও জেসমিন আরা বানু। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোছা. খাদিজাতুল কোবরা।

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে মোছা. রেখা খাতুন বলেন, একটি মেয়েশিশুর শিক্ষা বন্ধ হয়ে গেলে শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি মেয়েদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের বিকাশ শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কার্যক্রমও তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ সবসময় পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, শিক্ষার গুরুত্ব এবং শিশুদের নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনার শেষে উপস্থিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করা যায়।

শেয়ার করুন