ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

উত্তরাঞ্চলের স্বপ্নপূরণ হরিপুর তিস্তা সেতুর শুভ উদ্বোধন আগামীকাল।

  • আপডেট সময় : ০৮:১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৪৮৯ বার পড়া হয়েছে

উত্তরাঞ্চলের স্বপ্নপূরণ হরিপুর তিস্তা সেতুর শুভ উদ্বোধন আগামীকাল।

উত্তরাঞ্চলের স্বপ্নপূরণ হরিপুর তিস্তা সেতুর শুভ উদ্বোধন আগামীকাল।

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
আগামী কাল ২০ আগষ্ট (বুধবার) শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত হরিপুর তিস্তা সেতু।যার নামকরণ করা হয়েছে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ ভাসানীর নামে (মাওলানা ভাসানী সেতু গাইবান্ধা)।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের চিলমারীকে সংযুক্ত করা এই সেতু উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ও উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

বুধবার ২০ আগষ্ট বেলা ১১ ঘটিকায় এ সেতুর শুভ উদ্বোধন করবেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন, সমবায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

১.৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৯.৬০ প্রস্হ তিস্তা সেতু উদ্বোধনের ফলে দুই তীরের মানুষের যুগের পর যুগের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

এটি তিস্তা নদীর উপর নির্মিত তৃতীয় সেতু। এর পূর্ব ২০১২ সালে লালমনিরহাট জেলায় ৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে. ৭৫০ মিটার ও ২০১৮ সালে লালমনিরহাটের মহিপুর নামক স্হানে ১৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে. ৮৫০ মিটার সেতু নির্মাণ করা হয়।

যেখানে খেয়া পারাপারই ছিল একমাত্র ভরসা, যা সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ হয়ে যেত। সেখানে সেতু উদ্বোধন করা হলে আর্থসামাজিক উন্নয়নের পথ সুগম হবে।

২০১৪ সালে অনুমোদিত প্রকল্পটি ২০১৮ সালে ৫ নভেম্বর দরপত্রে “চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন দরপত্রের মাধ্যমে পেয়ে ২০২১ সালে নির্মাণ কাজ শুরু করে ২০২৫ সালে শেষ করে। এ সেতু নির্মাণে ব্যয় ৭৩০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।মুল সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৬৭ কোটি ও অন্যান্য ৩৬৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

সেতুতে রয়েছে ২৯০টি পাইল, ১৫৫টি গার্ডার, ৩০টি পিলার ও ২৮টি স্প্যান।

সংযোগ সড়ক রয়েছে ৮৬ কিলোমিটার ও সেই সংযোগ সড়কে রয়েছে ১২টি ব্রীজ, ৫৮টি বক্স কালভার্ট জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে ১৩৩ একর।নদী শাসন করা হয়েছে উভয় পাড়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার।

স্থানীয়রা বলছেন, সেতু চালু হলে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে, বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ। কমবে তিস্তার ভাঙন। ঢাকা ও রংপুরের দূরত্বও কমে আসবে।

তিস্তাপারের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সেতুর উদ্বোধন উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

উত্তরাঞ্চলের স্বপ্নপূরণ হরিপুর তিস্তা সেতুর শুভ উদ্বোধন আগামীকাল।

আপডেট সময় : ০৮:১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

উত্তরাঞ্চলের স্বপ্নপূরণ হরিপুর তিস্তা সেতুর শুভ উদ্বোধন আগামীকাল।

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
আগামী কাল ২০ আগষ্ট (বুধবার) শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত হরিপুর তিস্তা সেতু।যার নামকরণ করা হয়েছে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ ভাসানীর নামে (মাওলানা ভাসানী সেতু গাইবান্ধা)।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের চিলমারীকে সংযুক্ত করা এই সেতু উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ও উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

বুধবার ২০ আগষ্ট বেলা ১১ ঘটিকায় এ সেতুর শুভ উদ্বোধন করবেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন, সমবায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

১.৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৯.৬০ প্রস্হ তিস্তা সেতু উদ্বোধনের ফলে দুই তীরের মানুষের যুগের পর যুগের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

এটি তিস্তা নদীর উপর নির্মিত তৃতীয় সেতু। এর পূর্ব ২০১২ সালে লালমনিরহাট জেলায় ৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে. ৭৫০ মিটার ও ২০১৮ সালে লালমনিরহাটের মহিপুর নামক স্হানে ১৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে. ৮৫০ মিটার সেতু নির্মাণ করা হয়।

যেখানে খেয়া পারাপারই ছিল একমাত্র ভরসা, যা সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ হয়ে যেত। সেখানে সেতু উদ্বোধন করা হলে আর্থসামাজিক উন্নয়নের পথ সুগম হবে।

২০১৪ সালে অনুমোদিত প্রকল্পটি ২০১৮ সালে ৫ নভেম্বর দরপত্রে “চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন দরপত্রের মাধ্যমে পেয়ে ২০২১ সালে নির্মাণ কাজ শুরু করে ২০২৫ সালে শেষ করে। এ সেতু নির্মাণে ব্যয় ৭৩০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।মুল সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৬৭ কোটি ও অন্যান্য ৩৬৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

সেতুতে রয়েছে ২৯০টি পাইল, ১৫৫টি গার্ডার, ৩০টি পিলার ও ২৮টি স্প্যান।

সংযোগ সড়ক রয়েছে ৮৬ কিলোমিটার ও সেই সংযোগ সড়কে রয়েছে ১২টি ব্রীজ, ৫৮টি বক্স কালভার্ট জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে ১৩৩ একর।নদী শাসন করা হয়েছে উভয় পাড়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার।

স্থানীয়রা বলছেন, সেতু চালু হলে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে, বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ। কমবে তিস্তার ভাঙন। ঢাকা ও রংপুরের দূরত্বও কমে আসবে।

তিস্তাপারের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সেতুর উদ্বোধন উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।

শেয়ার করুন