ধাপেরহাটে ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া জব্দ, জরিমানা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা
- আপডেট সময় : ১০:০১:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
- / ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬০ মণ ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করে ধ্বংস করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বকশিগঞ্জ এলাকার বড় ছত্রগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত একটি হলুদ মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, বড় ছত্রগাছা গ্রামের মৃত রজ্জব আলী পাইকারের ছেলে খালেক পাইকারের মালিকানাধীন ওই মিলে কৃত্রিম রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া উৎপাদন করা হচ্ছিল। পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী পারভীন বেগমকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রশাসনিক জরিমানা করা হয়।
একই সঙ্গে জব্দ করা ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়, যাতে এসব পণ্য পুনরায় বাজারে প্রবেশ করতে না পারে।
অভিযান পরিচালনা করেন গাইবান্ধা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন। এ সময় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা, র্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াদ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ধাপেরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক মিশিয়ে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া উৎপাদন করে বাজারজাত করে আসছিলেন। এতে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল।
গাইবান্ধা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রতারণা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান ও তদারকি জোরদার করা হবে।
এদিকে অভিযানের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা ভেজাল খাদ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।










