ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি

  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৫ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল তাজমীনকে ধর্ষণের পর হ*ত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সুমনকে কুমিল্লার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৬ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক মোমিনুল হকের আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

আদালতের পুলিশ পরিদর্শক সাদেকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসামি আদালতে অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার রাত ৭টা ২০ মিনিটে তাকে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশের তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার গভীর রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় রেসকোর্সের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাজমীনকে অটোরিকশায় তোলেন সুমন। পরে বিকল্প পথ ব্যবহারের কথা বলে তাকে লালমাই উপজেলার একটি নির্জন ফসলি জমিতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সেখানে তাকে ধর্ষণ ও হ*ত্যার ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।

ঘটনার পর নিহতের ব্যবহৃত আইফোনটি নিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত সুমন। পরে পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাখরাবাদ এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তাজমীনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে জান্নাতুল তাজমীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার পরিবারের মূল বাড়ি যশোরে হলেও তারা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করত।

এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল তাজমীনকে ধর্ষণের পর হ*ত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সুমনকে কুমিল্লার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৬ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক মোমিনুল হকের আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

আদালতের পুলিশ পরিদর্শক সাদেকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসামি আদালতে অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার রাত ৭টা ২০ মিনিটে তাকে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশের তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার গভীর রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় রেসকোর্সের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাজমীনকে অটোরিকশায় তোলেন সুমন। পরে বিকল্প পথ ব্যবহারের কথা বলে তাকে লালমাই উপজেলার একটি নির্জন ফসলি জমিতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সেখানে তাকে ধর্ষণ ও হ*ত্যার ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।

ঘটনার পর নিহতের ব্যবহৃত আইফোনটি নিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত সুমন। পরে পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাখরাবাদ এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তাজমীনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে জান্নাতুল তাজমীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার পরিবারের মূল বাড়ি যশোরে হলেও তারা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করত।

এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন