মহিমাগঞ্জ আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ও ডিভাইস ব্যবহার কান্ড
- আপডেট সময় : ১২:৩২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ৫০৩ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি,
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নূর আলম ও হল সুপারের উপস্থিততে
মোবাইল ফোন ও ডিভাইস ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে বাড়তি অর্থ আদায়ের ঘটনায় বিভিন্ন গণ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ঘটনায়,পরীক্ষার মত স্পর্শ কাতর বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্পাপন করতে বিভিন্ন দপ্তরে জনস্বার্থে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা মামুনুর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনাটি তদন্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মহিমাগঞ্জ আলিয়া কামিল মাদ্রাসা পরিক্ষা কেন্দ্রের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আমরা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছি।
এ বিষয়ে,গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক),এ,কে এম হেদায়েতুল ইসলাম জানান, এঘটনাটি ভিডিও ক্লিপের মাধ্যমে দেখেছি,
তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এঘটনায় তদন্তের নামে কালক্ষেপন না করে দ্রুত কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে গোবিন্দগঞ্জ সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য: গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে, গত ২৬ আগস্ট আলিম উচ্চতর গণিত(প্র্যাকটিক্যাল) পরিক্ষা চলাকালে সকাল ১১টার দিকে প্রতিটি ব্রেঞ্চে মোবাইল ও ডিভাইস ব্যবহার করে উত্তর পত্র লেখেন শিক্ষার্থীরা। কোন-কোন ব্রেঞ্চে শিক্ষক ছাত্র/ছাত্রীকে প্রক্সি দেন, আবার কোন অভিভাবক শিক্ষার্থীকে নকল দেন, কোথাও সবাই একযোগে বসে দেখাদেখি করে উত্তর পত্র লেখেন শিক্ষার্থী রা। প্রকাশ্যে এমন কান্ডে কয়েকজন শিক্ষক-কে জিজ্ঞেসা করলে কেউ পরিক্ষা কেন্দ্রের হল সুপার বা হলের দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক নয় বলে তারা জানান।
এসব দেখে ওই দিন সাংবাদিকরা মহিমাগঞ্জ আলিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত(অধ্যক্ষ) কেন্দ্র সচিব নুরুল আলম প্রশ্ন? করলে
তিনি মুখ খোলেননি।
আরও জানাযায়, মহিমাগঞ্জ আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ১৫ টি উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ৬০৬জন শিক্ষার্থী পরিক্ষা দেয়।
স্ব-স্ব মাদ্রাসার শিক্ষকদের মাধ্যমে ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে ৩০০থেকে ৮০০টাকা করে প্রাকটিকেল পরিক্ষায় প্রতি সাবজেক্টে টাকা নেয়ায় বাড়তি মোবাইল, ডিভাইস ব্যবহারের সুবিধা দেয়া হয় ।এঘটনার খবর পেয়ে তদন্ত শুরু করে প্রশাসন।
ওই দিন মহিমাগঞ্জ আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে উচ্চতর গণিত পরীক্ষায় মোট ২০৬জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এ কেন্দ্রে মোট ৬০৬ জন,উচ্চতর গণিত,ফিজিক্স, কেমেস্ট্রি, কৃষি,বায়োলজি, ভূগল বিভিন্ন সাবজেক্টে প্র্যাকটিক্যাল পরিক্ষা দেয়।
প্রায় ৪০-৫০ কিলোমিটার দূরের মাদ্রাসা,সেই আয়েজাবাদ,কামদিয়া,কাঁঠালবাড়ী,ফুলপুকুরিয়াশহরগছির মত দূরের মাদ্রাসা গুলোর এই মহিমাগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষার্থীদের বাড়তি যাতায়াতে ব্যয় হয়, ভোগান্তি হয়।












