মানুষের নৈতিকতার অধঃপতন, বাড়ছে সামাজিক অপরাধ।
- আপডেট সময় : ১২:৫৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
- / ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

মানুষের নৈতিকতার অধঃপতন, বাড়ছে সামাজিক অপরাধ।
বর্তমান সমাজে মানুষের নৈতিকতার ভয়াবহ অধঃপতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একসময় যেখানে লজ্জা, বিবেক ও মানবতার বোধ ছিল সামাজিক ভারসাম্যের মূল ভিত্তি, সেখানে এখন স্বার্থপরতা, লোভ ও বিকৃত মানসিকতা দখল করছে সেই স্থান। এর ফলে সমাজজুড়ে বেড়ে চলেছে ধ*র্ষণ, খু*ন, ছিন*তাই, মা*দক ব্যবসা, অনলাইন জু*য়া, প্রতা*রণা ও নানা ধরণের অপরাধ।
বলতে, শুনতে,লেখতে খারাপ লাগে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে শিশু, কিশোরী বয়োবৃদ্ধ নারী। নষ্ট হয়ে গেছে মানুষ নষ্ট হয়ে গেছে বিবেক বুদ্ধি, নষ্ট হয়ে গেছে রুচিবোধ। এসবের কারণে ধর্মীয় মূল্যবোধ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ধর্ম নিয়ে কটুক্তি ও ধর্মীয় কিতাবের অবমাননা করতেও ভয় পাচ্ছে না। মনে হচ্ছে সবাই সাইকোপ্যাথিক রোগীতে পরিনত হয়েছে। পাগলা ঘোড়ার মত লাগাম হারিয়ে দিক বেদিক ছুটে চলছে সবার। এটার বিহিত সবাই চাই কিন্তু কথা একটাই বিড়ালের গলায় ঘন্টা যে বাঁধবে তার খুব অভাব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নৈতিক শিক্ষার অভাব, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দুর্বলতা, পারিবারিক অনুশাসনের অভাব ও প্রযুক্তির অপব্যবহার এই অপ*রাধ বৃদ্ধির মূল কারণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লী*লতা, অনলাইন গেম ও জু*য়ায় আসক্ত তরুণ প্রজন্ম ক্রমেই হারিয়ে ফেলছে মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিনিয়ত অপ*রাধ দমন ও অপরাধীদের গ্রে*প্তারে কাজ করে চললেও অপ*রাধের হার আশ*ঙ্কাজনকভাবে কমছে না। বিশেষ করে মা*দক ও অনলাইন জু*য়ার বিস্তার সমাজে নতুন সংকট তৈরি করেছে। অনেক তরুণ রাত জেগে ভার্চুয়াল জু*য়ার ফাঁদে পড়ে পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, “নৈতিকতার পতন মানে কেবল অপ*রাধ বৃদ্ধি নয়, বরং এটি সমাজের আত্মিক ও মানসিক অবক্ষয়ের প্রতিচ্ছবি।” তারা মনে করেন, নৈতিক শিক্ষা, পরিবারে মূল্যবোধের চর্চা এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জাগরণই পারে এই অবস্থা থেকে সমাজকে ফিরিয়ে আনতে।
সচেতন মহল মনে করেন, শুধু আইন নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষকেই নিজের অবস্থান থেকে নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে, সন্তানদের মধ্যে মানবিকতা ও বিবেকের চর্চা গড়ে তুলতে হবে। তবেই সমাজ আবার ফিরে পেতে পারে সেই মানবিকতার আলো, যা একসময় ছিল আমাদের গর্ব ও পরিচয়।










