ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

৭০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার আইয়ুব আলী

  • আপডেট সময় : ০৫:১২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

৭০ বছরের বৃদ্ধাকে পাশবিক নি/র্যা/ত/নের ঘটনায় আসামি আয়ুব আলী গ্রেফতার — জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত প্রকাশ।

৭০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার আইয়ুব আলী
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের আলীনগর পাতারপাড়া গ্রামে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান আসামি আইয়ুব আলী (৪৫) অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে।

জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর দুপুরে ওই গ্রামের একটি হলুদের জমিতে একা থাকা অবস্থায় বৃদ্ধার হাত-পা ও মুখ বেঁধে পাশবিক নির্যাতন চালায় একই গ্রামের আকবর আলীর পুত্র আইয়ুব আলী। ঘটনার পর থেকেই সে আত্মগোপনে চলে যায়। দীর্ঘ ১৩ দিন পলাতক থাকার পর অবশেষে রবিবার (২ নভেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইত্যাদি মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের একটি চৌকস টিম।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সুপদ হাওলাদারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেয় জেলা পুলিশের বিশেষ ইউনিট।

গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শরীফ আল রাজীব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, “চাঞ্চল্যকর এই মামলার আসামি আইয়ুব আলীকে ধরতে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের কয়েকটি টিম একযোগে কাজ করেছে। বিশেষ করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুপদ হাওলাদার দিনরাত পরিশ্রম করে আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারে সফল হয়েছেন। থানার অফিসার ইনচার্জ তাজউদ্দিন খন্দকারও নিয়মিত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “এই মামলাকে ঘিরে এলাকায় নানা নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। তবে আইন তার নিজ গতিতে চলছে। গাইবান্ধার জনগণকে বলব—আইনের প্রতি আস্থা রাখুন, আমরা আপনাদের পাশে আছি।”

প্রেস ব্রিফিং কাল উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিদ্রোহ কুমার কুন্ড।

আইয়ুব আলীর গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন ঘৃণ্য অপরাধের সাহস না পায়।

গ্রেফতারের পর সোমবার আইয়ুব আলীকে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি শেষে আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

চোখের জল আর ক্ষোভে ভরপুর বৃদ্ধার পরিবারের এখন একটাই দাবি—“আমরা বিচার চাই, আইয়ুব আলীর কঠিন শাস্তি চাই।”

 

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৭০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার আইয়ুব আলী

আপডেট সময় : ০৫:১২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

৭০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার আইয়ুব আলী
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের আলীনগর পাতারপাড়া গ্রামে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান আসামি আইয়ুব আলী (৪৫) অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে।

জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর দুপুরে ওই গ্রামের একটি হলুদের জমিতে একা থাকা অবস্থায় বৃদ্ধার হাত-পা ও মুখ বেঁধে পাশবিক নির্যাতন চালায় একই গ্রামের আকবর আলীর পুত্র আইয়ুব আলী। ঘটনার পর থেকেই সে আত্মগোপনে চলে যায়। দীর্ঘ ১৩ দিন পলাতক থাকার পর অবশেষে রবিবার (২ নভেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইত্যাদি মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের একটি চৌকস টিম।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সুপদ হাওলাদারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেয় জেলা পুলিশের বিশেষ ইউনিট।

গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শরীফ আল রাজীব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, “চাঞ্চল্যকর এই মামলার আসামি আইয়ুব আলীকে ধরতে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের কয়েকটি টিম একযোগে কাজ করেছে। বিশেষ করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুপদ হাওলাদার দিনরাত পরিশ্রম করে আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারে সফল হয়েছেন। থানার অফিসার ইনচার্জ তাজউদ্দিন খন্দকারও নিয়মিত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “এই মামলাকে ঘিরে এলাকায় নানা নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। তবে আইন তার নিজ গতিতে চলছে। গাইবান্ধার জনগণকে বলব—আইনের প্রতি আস্থা রাখুন, আমরা আপনাদের পাশে আছি।”

প্রেস ব্রিফিং কাল উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিদ্রোহ কুমার কুন্ড।

আইয়ুব আলীর গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন ঘৃণ্য অপরাধের সাহস না পায়।

গ্রেফতারের পর সোমবার আইয়ুব আলীকে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি শেষে আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

চোখের জল আর ক্ষোভে ভরপুর বৃদ্ধার পরিবারের এখন একটাই দাবি—“আমরা বিচার চাই, আইয়ুব আলীর কঠিন শাস্তি চাই।”

 

শেয়ার করুন