ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

ধাপেরহাটে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীর কবলে দুই মোটরসাইকেল আরোহী,

  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৫২৯ বার পড়া হয়েছে

ধাপেরহাটে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীর কবলে দুই মোটরসাইকেল আরোহী, মোটরসাইকেল মোবাইল ও নগদ অর্থ লুট।

 

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের তালের দিঘী ইসলামপুর এলাকায় আবারও সংঘবদ্ধ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে মুহূর্তের মধ্যে দুইজন পথচারী তাদের মূল্যবান সম্পদ হারিয়েছেন।

 

গত ৩১ আগস্ট দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন—ছাইগাড়ী গোবিন্দপুর গ্রামের আঃ সাত্তারের ছেলে পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম (৪২) এবং একই গ্রামের নবির উদ্দিনের ছেলে শহীদ মন্ডল (৩৮)।

 

তারা ধাপেরহাট বাজার থেকে চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ইসলামপুরের তালের দিঘী সংলগ্ন নির্জন স্থানে একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী দল তাদের গতিরোধ করে। প্রথমে ভয়ভীতি দেখিয়ে পরে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তাদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল, দুটি মোবাইল ফোন এবং সঙ্গে থাকা নগদ প্রায় ২০ হাজার টাকা লুট করে নেয়।

 

ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমরা বাজার থেকে ফিরছিলাম। হঠাৎ কয়েক জন লোক এসে আমাদের ঘিরে ধরে। তারা লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে ভীতি সৃষ্টি করে। কিছু বলার আগেই আমাদের বেঁধে সবকিছু নিয়ে যায়।”

 

শহীদ মন্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চুরি, ছিনতাই, এমনকি ফসল নষ্ট করার মতো অপরাধ ঘটছে। আমরা বারবার অভিযোগ করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেই। তাই সাধারণ মানুষ আতঙ্কে থাকে।”

 

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ—তালের দিঘী ইসলামপুর সড়কটি রাতে জনশূন্য হয়ে পড়ে, সুযোগ কাজে লাগিয়ে অপরাধীরা প্রায়ই ছিনতাই, চুরি ও ফসল কাটার মতো অপরাধ সংঘটিত করে থাকে।

 

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত পুলিশ টহল বৃদ্ধি ও অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় না আনলে এ ধারা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধাপেরহাটে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীর কবলে দুই মোটরসাইকেল আরোহী,

আপডেট সময় : ০৩:৫১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ধাপেরহাটে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীর কবলে দুই মোটরসাইকেল আরোহী, মোটরসাইকেল মোবাইল ও নগদ অর্থ লুট।

 

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের তালের দিঘী ইসলামপুর এলাকায় আবারও সংঘবদ্ধ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে মুহূর্তের মধ্যে দুইজন পথচারী তাদের মূল্যবান সম্পদ হারিয়েছেন।

 

গত ৩১ আগস্ট দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন—ছাইগাড়ী গোবিন্দপুর গ্রামের আঃ সাত্তারের ছেলে পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম (৪২) এবং একই গ্রামের নবির উদ্দিনের ছেলে শহীদ মন্ডল (৩৮)।

 

তারা ধাপেরহাট বাজার থেকে চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ইসলামপুরের তালের দিঘী সংলগ্ন নির্জন স্থানে একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী দল তাদের গতিরোধ করে। প্রথমে ভয়ভীতি দেখিয়ে পরে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তাদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল, দুটি মোবাইল ফোন এবং সঙ্গে থাকা নগদ প্রায় ২০ হাজার টাকা লুট করে নেয়।

 

ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমরা বাজার থেকে ফিরছিলাম। হঠাৎ কয়েক জন লোক এসে আমাদের ঘিরে ধরে। তারা লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে ভীতি সৃষ্টি করে। কিছু বলার আগেই আমাদের বেঁধে সবকিছু নিয়ে যায়।”

 

শহীদ মন্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চুরি, ছিনতাই, এমনকি ফসল নষ্ট করার মতো অপরাধ ঘটছে। আমরা বারবার অভিযোগ করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেই। তাই সাধারণ মানুষ আতঙ্কে থাকে।”

 

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ—তালের দিঘী ইসলামপুর সড়কটি রাতে জনশূন্য হয়ে পড়ে, সুযোগ কাজে লাগিয়ে অপরাধীরা প্রায়ই ছিনতাই, চুরি ও ফসল কাটার মতো অপরাধ সংঘটিত করে থাকে।

 

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত পুলিশ টহল বৃদ্ধি ও অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় না আনলে এ ধারা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

শেয়ার করুন