নবম পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত করলে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
- আপডেট সময় : ০৮:২৯:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
- / ৮৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: নবম জাতীয় পে-স্কেল দ্রুত ঘোষণা ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্বতন্ত্র পে-স্কেলের নামে তাদের প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত না করার দাবি জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজি।
তিনি বলেন, ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল ঘোষণার পর প্রায় ১১ বছর পার হলেও নতুন কোনো পে-স্কেল দেওয়া হয়নি। অথচ এ সময়ে অন্তত আরও দুটি পে-স্কেল হওয়ার কথা ছিল। তাই আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানান তিনি।
দেলোয়ার হোসেন আজিজি বলেন, পে কমিশনের সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছে এবং বিভিন্ন দাবি লিখিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পে কমিশন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরও এখনো পে-স্কেল নিয়ে একের পর এক বৈঠক চলছে। এতে শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আজকের এই কর্মসূচি থেকে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আর কোনো ধরনের কালক্ষেপণ না করে অবিলম্বে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।’
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেলের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অতীতে শিক্ষকদের স্বতন্ত্র পে-স্কেলের কথা বলা হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। একইভাবে উৎসব ভাতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়িত হয়নি। তাই স্বতন্ত্র পে-স্কেলের নামে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নবম পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত করার কোনো উদ্যোগ মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশের ৬ লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এ ধরনের উদ্যোগের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবেন।
বাড়িভাড়া ভাতার আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে দেলোয়ার হোসেন আজিজি বলেন, শুরুতে ৫০০ টাকা বাড়িভাড়া দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও শিক্ষকরা তা মেনে নেননি। পরবর্তীতে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শহীদ মিনারের কর্মসূচির মাধ্যমে ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়া আদায় করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বাড়িভাড়ার আন্দোলনের মাধ্যমে শিখে গিয়েছি, কীভাবে সরকারের কাছ থেকে দাবি আদায় করতে হয়।’
দেলোয়ার হোসেন আজিজি আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় শিক্ষক সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।










