বেগুন ক্ষেতের পর এবার সাত বিঘা জমিতে লাগানো আমবাগানে দূর্বৃত্তের হামলা।
- আপডেট সময় : ০৮:০১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
- / ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

বেগুন ক্ষেতের পর এবার সাত বিঘা জমিতে লাগানো আমবাগানে দূর্বৃত্তের হামলা।
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে সাত বিঘা জমির আম বাগানে দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত ২৭ আগস্ট দিবাগত রাতে কে বা কারা বাগানে ঢুকে প্রায় চার বছর আগে লাগানো ২৭টি বিভিন্ন জাতের আমগাছ (বারী-৪, মেঘলা ও ব্যানানা জাত) কেটে ফেলে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আলহাজ্ব আব্দুর রহমান (ভোলা হাজী) ও তার ছোট ভাই সাবেক ইউপি সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ জানান, দীর্ঘ শ্রম ও স্বপ্ন নিয়ে তারা এ ফলজ বাগান করেছিলেন। এক রাতের হামলায় সব কিছু নষ্ট হয়ে গেছে। এ ঘটনায় তাদের ক্ষতির পরিমাণ অপূরণীয়। তারা প্রয়াত আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) নাজমুল হাসান সোহাগের বাবা ও চাচা।
সোবাহান বলেন,আমি রাত ১টার দিকে তালগাছের তাল পড়ার শব্দ ভেবে টর্চ লাইট নিয়ে তাল গাছের দিকে যাইবার ধরে দেখি দূর্বৃত্তরা গাছ কেটে পালিয়ে গেছে।আমার উপস্থিতি টের পেয়ে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে গেছে।এরা আমাদের প্রতিনিয়তই ফসলের ক্ষতি করছে রাতের আঁধারে। কিছুদিন পূর্বে বেগুনের জমির চারা নষ্ট করেছে।চাচার বাড়িতে টিনের চাল কেটে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে চুরি করছে।এসব দূর্বৃত্ত ও চোরদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ধাপেরহাট ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ বলেন,দুই ভাইয়ে ৭ বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির আমের চারা ১৫০ টা দরে কিনে চার বছর পূর্ব রোপন করি এ বছর গাছগুলোতে মুকুল এসেছিলো কম করে রেখে ভেঙে দিয়ে ছিলাম। আগামী মৌসুমে পুরোদমে আসতো। কিন্তু কে-বা কাহারা রাতে ২৬ টি আমগাছ ও ১টি পেঁপে গাছ কেটে ফেলেছে। জমির ফসল যদি নষ্ট করে তা হলে কৃষক বাঁচবে কেমনে ?
এ বিষয়ে নাজমুল হাসান সোহাগ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,কে বা কাহারা রাতের আঁধারে শত্রুতা বসত ফসল নষ্ট করছে। এর আগে ২০ শতাংশ জমির বেগুন নষ্ট করেছে, এবার আম বাগান ধ্বংস করলো। থানায় অভিযোগ করেছি, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। মূল হোতাকে ধরে বিচারের আওতায় আনতে হবে। কেউ যদি আমাকে শত্রু মনে করেন প্রকাশ্যে আসুন। আমার পরিবারের জমির ফসল নষ্ট করে বিপদে ফেলার চেষ্টা করলে একদিন সেই গর্তেই পড়বেন।”
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার জানান,“ঘটনার খবর রাতেই পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়রা এ ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।










