ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, দলীয় কার্যালয় ভাংচুর।

  • আপডেট সময় : ০৯:২০:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, দলীয় কার্যালয় ভাংচুর।।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিকের অপসারণের দাবিতে সাদুল্লাপুরে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এসময় জেলা নেতা সাদিক, উপজেলা নেতা ছামছুল ও ছালাম সমর্থিত নেতাকর্মীরা লাঠি নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা করে।
রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরের সাদুল্লাপুর শহরে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এঘটনায় কয়েকটি মোটরসাইকেলসহ দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

ডা. সাদিকের অপসারণ চাওয়া বিক্ষোভকারীরা জানায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নে বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি কাউন্সিল ছাড়াই অবৈধভাবে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দোসরদের পুনর্বাসন করে পকেট কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করে আসছে। এরই প্রতিবাদে ডা. মইনুল হাসান সাদিকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ করা হয়। এসময় জেলা নেতা ডা. মইনুল হাসান সাদিক, উপজেলা নেতা ছামছুল হাসান ছামছুল ও ছালাম মিয়ার সমর্থিত নেতাকর্মীরা শাহিন আল পারভেজের নেতৃত্বে লাঠি নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ও সাংবাদিকের ওপর হামলা করে।

এতে উভয় পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। এতে ছামছুল-ছালাম সমর্থিতদের হামলায় পুলিশ সদস্য ও সংবাদকর্মী শাকিল মিয়াসহ বিএনপির দুই গ্রুপের একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এমন অবস্থার সৃষ্টিতে উত্তেজিত ব্যক্তিরা উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ও কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। একইসঙ্গে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ছামছুল হাসান ছামছুল ও সদস্য সচিব আব্দুস ছামলাম মিয়া অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনবাহিনীর দল মাঠে রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাদুল্লাপুর শহরে থম থম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, দলীয় কার্যালয় ভাংচুর।

আপডেট সময় : ০৯:২০:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, দলীয় কার্যালয় ভাংচুর।।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিকের অপসারণের দাবিতে সাদুল্লাপুরে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এসময় জেলা নেতা সাদিক, উপজেলা নেতা ছামছুল ও ছালাম সমর্থিত নেতাকর্মীরা লাঠি নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা করে।
রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরের সাদুল্লাপুর শহরে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এঘটনায় কয়েকটি মোটরসাইকেলসহ দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

ডা. সাদিকের অপসারণ চাওয়া বিক্ষোভকারীরা জানায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নে বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি কাউন্সিল ছাড়াই অবৈধভাবে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দোসরদের পুনর্বাসন করে পকেট কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করে আসছে। এরই প্রতিবাদে ডা. মইনুল হাসান সাদিকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ করা হয়। এসময় জেলা নেতা ডা. মইনুল হাসান সাদিক, উপজেলা নেতা ছামছুল হাসান ছামছুল ও ছালাম মিয়ার সমর্থিত নেতাকর্মীরা শাহিন আল পারভেজের নেতৃত্বে লাঠি নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ও সাংবাদিকের ওপর হামলা করে।

এতে উভয় পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। এতে ছামছুল-ছালাম সমর্থিতদের হামলায় পুলিশ সদস্য ও সংবাদকর্মী শাকিল মিয়াসহ বিএনপির দুই গ্রুপের একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এমন অবস্থার সৃষ্টিতে উত্তেজিত ব্যক্তিরা উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ও কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। একইসঙ্গে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ছামছুল হাসান ছামছুল ও সদস্য সচিব আব্দুস ছামলাম মিয়া অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনবাহিনীর দল মাঠে রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাদুল্লাপুর শহরে থম থম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন