গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবারকে আইনি সুরক্ষা ও উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি।
- আপডেট সময় : ০২:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১২৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা:
গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের উত্তরাধিকার সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের মুদ্রণ ও প্রকাশনা শাখা থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বুধবার অধ্যাদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
৫ বছর গুম থাকলেই সম্পত্তি বণ্টনের সুযোগ
সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি কমপক্ষে ৫ বছর গুম থাকলে এবং জীবিত ফিরে না এলে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বৈধ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টনযোগ্য ঘোষণা করার বিশেষ ক্ষমতা পাবে। এতদিন নিখোঁজ ব্যক্তির ক্ষেত্রে ৭ বছরের বিধান কার্যকর থাকলেও, নতুন আইনে সেই সময়সীমা কমিয়ে আনা হয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা কমলো
এছাড়া, গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী বা নির্ভরশীল পরিবার সদস্যদের জন্য আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে এখন থেকে আর কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না, যা ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অধ্যাদেশের নাম ও কার্যকারিতা
এই সংশোধিত আইনটির নাম—
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ, ২০২৬’।
গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে অধ্যাদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিশেষ বিধান
অধ্যাদেশের ২৩ ধারার সংশোধনী অনুযায়ী, ‘দ্য এভিডিয়েন্স অ্যাক্ট, ১৮৭২’-এর ১০৮ ধারা (যেখানে সাধারণত ৭ বছর নিখোঁজ থাকার বিধান রয়েছে) উপেক্ষা করেই, এই আইনের অধীনে কেউ ৫ বছর গুম থাকলে তার উত্তরাধিকারীরা সম্পত্তির অধিকার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন।
ট্রাইব্যুনাল আবেদনের সত্যতা যাচাই করে সম্পত্তি বণ্টনের আদেশ দিতে পারবে। তবে সংশ্লিষ্ট প্রবিধান প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত আবেদন প্রক্রিয়ার নিয়ম ট্রাইব্যুনাল নিজেই নির্ধারণ করবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।










