বাউফলে বিএনপি–জামায়াত নেতাকর্মীদের সংঘ*র্ষ, আহত অন্তত ৩০
- আপডেট সময় : ০২:৪৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৯৯ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ভাণ্ডারিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন— জামাল মৃধা (২২), আমিনুল ইসলাম (৩৭), জুয়েল (৩৩), নয়ন (১৭), লিমা জাহান (২৫), শাহজালাল (২০), সুজন (২৬), শহিদুল ব্যাপারী (২৭), হাফেজ আনিসুর রহমান (৫৫), আমিনুল মাতব্বর (৩০), সোহাগ (৩০), সাইফুল (৪০), জিসান (২৫), সজিব (১৭), রোজিনা বেগম (৩০), দেলোয়ার গাজী (৫৮)সহ আরও অনেকে।
গুরুতর আহত জামাল মৃধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম)-এ পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের দলীয় সূত্র জানায়, সকালে জামায়াতের নারী কর্মীরা ভাণ্ডারিয়া বাজার এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে গেলে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী তাদের হেনস্থা করে। এর প্রতিবাদে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করলে বিএনপির নেতা রুহুল ও তার ভাই সোহেলের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের ২০–২৫ জন নেতাকর্মী আহত হন।
অন্যদিকে বিএনপি সূত্রের দাবি, জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা অতর্কিতভাবে বিএনপির কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উভয় পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে অন্তত ২৫–৩০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
ঘটনার পর বিকেলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা পৌর সদরে প্রতিবাদ মিছিল বের করেন। এ সময় হাসপাতাল রোড এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া ও মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সহিদুল আলম নির্বাচনি প্রচারণায় বের হলে থানার সামনে তার গাড়ি অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










