এলপিজি আমদানির অনুমতি পেল বিপিসি, জিটুজি ভিত্তিতে বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ।
- আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে চলমান জ্বালানি সংকট ও এলপিজির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থাকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
রোববার জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশনা
এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান রাতে গণমাধ্যমকে জানান, এলপিজি আমদানির অনুমতি ইতোমধ্যে বিপিসিকে দেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়া শুরুর জন্য বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসানকে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, “এখন সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে এলপিজি আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমদানি করা গেলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দামের ভারসাম্য ফিরে আসবে।”
বেসরকারি খাতের মাধ্যমেই বিতরণ
উপদেষ্টা আরও জানান, আপাতত সরকার শুধু এলপিজি আমদানির পর্যায়েই যুক্ত থাকবে। এলপিজি সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণ কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত হওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। এসব কার্যক্রম আগের মতোই বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
বিপিসির প্রস্তাবনা
এর আগে গত ১০ জানুয়ারি বিপিসি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবের কাছে একটি চিঠি দিয়ে জিটুজি ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির অনুমতি চায়। বিপিসি চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসানের পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে এলপিজির সরবরাহ ঘাটতি ও দামের অস্বাভাবিক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। এতে ভোক্তাদের অতিরিক্ত দামে এলপিজি কিনতে হচ্ছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে এলপিজির আমদানি ও সরবরাহ পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর। ফলে বাজারে সংকট তৈরি হলে তা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর কোনো হাতিয়ার থাকে না।
বাজারে স্বস্তির আশা
বিপিসির প্রস্তাবে বলা হয়, নীতিগত অনুমোদন পেলে সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে এলপিজি আমদানি করে তা বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমে দ্রুত বাজারে সরবরাহ করা হবে। এতে এলপিজির সরবরাহ বাড়বে এবং দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।










