গাইবান্ধার পাঁচ আসনে ৪০ প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত
- আপডেট সময় : ০৮:০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১২৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৪০ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জন নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই বিধান অনুসারেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচটি আসনের অধিকাংশ প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। ফলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের জামানতের অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।
আসনভিত্তিক চিত্র:
-
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ): ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত।
-
গাইবান্ধা-২ (সদর): ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
-
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী): ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ।
-
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ): ৬ জনের মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত।
-
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা–ফুলছড়ি): ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জন নির্ধারিত ভোটের সীমা পূরণ করতে পারেননি।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের মতে, অধিকাংশ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমিত কয়েকজন শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যে কেন্দ্রীভূত থাকায় অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে বড় সংখ্যক প্রার্থীর জামানত হারানোর ঘটনা ঘটেছে।
ফলাফল ঘোষণার পর জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই ও নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে এই ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।










