ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

গাইবান্ধায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১২৬ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে গাইবান্ধার নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অধিক মুনাফার আশায় ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন—এমন অভিযোগ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। বাজারে কার্যকর মনিটরিং না থাকায় যে যার ইচ্ছামতো দাম নিচ্ছেন বলেও দাবি তাদের।

শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। তবে ডিমের দাম কিছুটা কমে প্রতি হালি ৩৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে গায়ে লেখা খুচরা মূল্যের চেয়ে লিটারপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। পাশাপাশি পাইকারি বাজার থেকে কেনা পণ্য খুচরা বাজারে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলেও জানান তারা।

বাজারে উপস্থিত এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“বাজারে সব জিনিসের দাম বাড়তি। কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আমরা সাধারণ মানুষ কোথায় যাব? যে যার ইচ্ছামতো দাম নিচ্ছে।”

আরও কয়েকজন ক্রেতা জানান, নিত্যপণ্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। রমজানকে কেন্দ্র করে দাম বাড়ানো বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানান তারা।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তদারকি কার্যক্রম চলমান আছে।

এদিকে ক্রেতাদের প্রশ্ন—বাজার যদি নিয়ন্ত্রণেই থাকে, তাহলে প্রতিদিন পণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর নজরদারি ছাড়া বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গাইবান্ধায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে গাইবান্ধার নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অধিক মুনাফার আশায় ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন—এমন অভিযোগ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। বাজারে কার্যকর মনিটরিং না থাকায় যে যার ইচ্ছামতো দাম নিচ্ছেন বলেও দাবি তাদের।

শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। তবে ডিমের দাম কিছুটা কমে প্রতি হালি ৩৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে গায়ে লেখা খুচরা মূল্যের চেয়ে লিটারপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। পাশাপাশি পাইকারি বাজার থেকে কেনা পণ্য খুচরা বাজারে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলেও জানান তারা।

বাজারে উপস্থিত এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“বাজারে সব জিনিসের দাম বাড়তি। কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আমরা সাধারণ মানুষ কোথায় যাব? যে যার ইচ্ছামতো দাম নিচ্ছে।”

আরও কয়েকজন ক্রেতা জানান, নিত্যপণ্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। রমজানকে কেন্দ্র করে দাম বাড়ানো বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানান তারা।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তদারকি কার্যক্রম চলমান আছে।

এদিকে ক্রেতাদের প্রশ্ন—বাজার যদি নিয়ন্ত্রণেই থাকে, তাহলে প্রতিদিন পণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর নজরদারি ছাড়া বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়।

শেয়ার করুন