ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৭ দিনের জন্য মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • আপডেট সময় : ১১:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৭ দিনের জন্য মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ঢাকা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ৭ দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভোটের চার দিন আগে থেকে ভোটের পর দুই দিন পর্যন্ত—৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাহিনী মাঠে থাকবে। এ বিষয়ে বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করেছে।

মোতায়েনের সময়সূচি

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে বলা হয়, ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুই দিন মিলিয়ে মোট সাত দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ভোটের পরিসংখ্যান

এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা পৌনে ১৩ কোটি। দেশের ৩০০ আসনে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে স্থাপন করা হবে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষ।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা

প্রাথমিক সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,

  • প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ থেকে ১৮ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন

  • মোট ৭ লাখের বেশি সদস্য নির্বাচনী নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন

এর মধ্যে—

  • আনসার-ভিডিপি: প্রায় সাড়ে ৫ লাখ

  • সশস্ত্র বাহিনী: ৯০ হাজারের বেশি

  • এছাড়া পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে

নিরাপত্তা জোরদারের প্রেক্ষাপট

গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার তফসিল ঘোষণার পর দুটি নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি, নির্বাচন কমিশনার, সচিবালয়, রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

তফসিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং পরে বিদ্যমান পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এসব বৈঠকের পরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এই পরিপত্র জারি করে।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৭ দিনের জন্য মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আপডেট সময় : ১১:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ৭ দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভোটের চার দিন আগে থেকে ভোটের পর দুই দিন পর্যন্ত—৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাহিনী মাঠে থাকবে। এ বিষয়ে বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করেছে।

মোতায়েনের সময়সূচি

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে বলা হয়, ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুই দিন মিলিয়ে মোট সাত দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ভোটের পরিসংখ্যান

এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা পৌনে ১৩ কোটি। দেশের ৩০০ আসনে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে স্থাপন করা হবে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষ।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা

প্রাথমিক সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,

  • প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ থেকে ১৮ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন

  • মোট ৭ লাখের বেশি সদস্য নির্বাচনী নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন

এর মধ্যে—

  • আনসার-ভিডিপি: প্রায় সাড়ে ৫ লাখ

  • সশস্ত্র বাহিনী: ৯০ হাজারের বেশি

  • এছাড়া পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে

নিরাপত্তা জোরদারের প্রেক্ষাপট

গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার তফসিল ঘোষণার পর দুটি নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি, নির্বাচন কমিশনার, সচিবালয়, রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

তফসিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং পরে বিদ্যমান পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এসব বৈঠকের পরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এই পরিপত্র জারি করে।

শেয়ার করুন