মওলানা ভাসানী সেতুর ক্যাবল চুরি মামলায় গ্রেফতার দুজন কারাগারে, একজনের চুরির দায় স্বীকার
- আপডেট সময় : ০৬:৫৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

মওলানা ভাসানী সেতুর ক্যাবল চুরি মামলায় গ্রেফতার দুজন কারাগারে, একজনের চুরির দায় স্বীকার
মওলানা ভাসানী সেতুর ক্যাবল চুরি মামলায় গ্রেফতার দুজন কারাগারে, একজনের চুরির দায় স্বীকার
গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সদ্য উদ্বোধন হওয়া মওলানা ভাসানী সেতুর ল্যাম্পপোস্টের বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরির মামলায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। তাদের একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে চুরির কথা স্বীকার করেছেন।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুন্দরগঞ্জের কঞ্চিবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ তাদের গাইবান্ধা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেফতাররা হলেন, ধাপেরহাট ইউনিয়নের ছাইগারি ইসলামপুর গ্রামের বাদশা শেখের ছেলে খায়রুল ইসলাম (২১) এবং রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জগ্ননাথপুর গ্রামের খিজির উদ্দিনের ছেলে মনছুর আলী (৬৯)। এর মধ্যে খায়রুল আদালতে ক্যাবল চুরির দায় স্বীকার করেছেন।
এরআগে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধাপেরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কঞ্চিবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (আইসি) সেলিম রেজা জানান, ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, কৃষিকাজের আড়ালে তারা দীর্ঘদিন ধরে চুরি-ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত এবং একটি চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, ‘ক্যাবল চুরির মামলায় দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একজন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। চুরির সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট দুপুরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া মওলানা ভাসানী সেতুটি উদ্বোধন করেন। এর দুই দিন পর, ২২ আগস্ট রাতে সেতুর সিকিউরিটি ইনচার্জ নুরে আলম বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার টাকার বৈদ্যুতিক তার চুরির উল্লেখ রয়েছে।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, দক্ষিণ পাশের সংযোগ সড়কের দুই পাশে থাকা ৮টি লাইটপোস্টের প্রায় ৩১০ মিটার তার দুর্বৃত্তরা মাটি খুঁড়ে কেটে নিয়ে যায়। এর ফলে ১৩ জুন পরীক্ষামূলকভাবে লাইট জ্বালানো হলেও পরে আর জ্বলেনি; এমনকি উদ্বোধনের রাতেও আলো জ্বলতে ব্যর্থ হয়। পরদিন সকালে চায়না সাসেক প্রকল্পের কর্মীরা ঘটনাটি শনাক্ত করেন। উদ্ধোধনের আগেই এই চুরির ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন তারা।










