সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট, জনসচেতনতায় মাঠে নামছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা।
- আপডেট সময় : ০৫:১৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১২৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত গণভোট। এই গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশে জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার কার্যক্রম জোরদার করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এরই অংশ হিসেবে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের গণভোটের প্রচারণায় সরাসরি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভোটারদের মধ্যে গণভোটের উদ্দেশ্য, গুরুত্ব ও ভোটদানের পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রাথমিক শিক্ষকদের মাধ্যমে লিফলেট বিতরণ ও প্রচার কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নির্দেশনা
সোমবার (৫ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এ বিষয়ে একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনাটি প্রাথমিক শিক্ষার সব আঞ্চলিক উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ১ জানুয়ারির নির্দেশনার আলোকে ২০২৬ সালের গণভোট বিষয়ে দেশব্যাপী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন থেকে সরবরাহকৃত লিফলেট সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচার ও বিতরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্ব
নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থল ও আশপাশের এলাকায় গণভোট সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করবেন। পাশাপাশি ভোটারদের গণভোটের বিষয়বস্তু, ভোটদানের পদ্ধতি এবং ভোটগ্রহণের দিন ও সময় সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করবেন।
শিক্ষকদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে এই প্রচার কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিভ্রান্তি এড়াতে বিশেষ উদ্যোগ
এর আগে গণভোটকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও জনসমাগমস্থলে বিলবোর্ড ও ব্যানার স্থাপনের নির্দেশনা দেয় সরকার। পাশাপাশি গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মাধ্যমেও প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি এড়ানো এবং সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।










