ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

জামায়াতকে প্রশ্ন তারেক রহমানের, বিএনপি খারাপ হলে মন্ত্রিত্ব ছাড়েননি কেন।

  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০৬ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতকে প্রশ্ন তারেক রহমানের, বিএনপি খারাপ হলে মন্ত্রিত্ব ছাড়েননি কেন।

ময়মনসিংহ:

জামায়াতকে প্রশ্ন তারেক রহমানের, বিএনপি খারাপ হলে মন্ত্রিত্ব ছাড়েননি কেন:

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের ভাষায় বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছে এবং দাবি করছে বিএনপি নাকি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল। অথচ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সময়ে ওই দলটির দুজন মন্ত্রীও সরকারে ছিলেন। বিএনপি যদি এতটাই খারাপ হতো, তাহলে তারা তখন পদত্যাগ করে সরকার ছেড়ে চলে আসেননি কেন—সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান। এর আগে বেলা ৪টা ৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মঞ্চে ওঠেন।

তারেক রহমান বলেন, তারা পদত্যাগ করেননি, কারণ তারা জানতেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠোর হাতে দুর্নীতি দমন করছিলেন। তৎকালীন সরকারের ওই দুই মন্ত্রীও জানতেন, বেগম জিয়া কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী সরকারের সময় দেশ দুর্নীতিতে ডুবে ছিল। কিন্তু ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর দেশ ধীরে ধীরে দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে মুক্ত হতে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, যে দল আজ বিএনপিকে দোষারোপ করছে, সরকারের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত তাদের দুই মন্ত্রীর বহাল থাকা প্রমাণ করে—আজ তারা নিজেরাই মিথ্যা কথা বলছে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তারেক রহমান ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে জনতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটের দিন সবাই তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে একসঙ্গে কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করবেন। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন। শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলেই হবে না, ভোটের ফলাফল কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিতে হবে—যাতে কেউ ভোট লুট করতে না পারে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের পর আবার দেখা হবে খাল খনন কর্মসূচিতে। সবাই কোদাল নিয়ে আসবেন, সেদিন আমিও থাকব।

এর আগে স্লোগানে স্লোগানে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান নেতাকর্মীরা। ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ ও ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’—এমন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে জনসভাস্থল। ময়মনসিংহের পক্ষ থেকে তাকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

মঞ্চে ওঠার পর স্থানীয় নেতারা তারেক রহমানের কাছে ময়মনসিংহের তারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানান।

জনসভায় এর আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য দেন। তারা নিজেদের মধ্যে সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় স্লোগান ওঠে— ‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জামায়াতকে প্রশ্ন তারেক রহমানের, বিএনপি খারাপ হলে মন্ত্রিত্ব ছাড়েননি কেন।

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহ:

জামায়াতকে প্রশ্ন তারেক রহমানের, বিএনপি খারাপ হলে মন্ত্রিত্ব ছাড়েননি কেন:

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের ভাষায় বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছে এবং দাবি করছে বিএনপি নাকি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল। অথচ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সময়ে ওই দলটির দুজন মন্ত্রীও সরকারে ছিলেন। বিএনপি যদি এতটাই খারাপ হতো, তাহলে তারা তখন পদত্যাগ করে সরকার ছেড়ে চলে আসেননি কেন—সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান। এর আগে বেলা ৪টা ৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মঞ্চে ওঠেন।

তারেক রহমান বলেন, তারা পদত্যাগ করেননি, কারণ তারা জানতেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠোর হাতে দুর্নীতি দমন করছিলেন। তৎকালীন সরকারের ওই দুই মন্ত্রীও জানতেন, বেগম জিয়া কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী সরকারের সময় দেশ দুর্নীতিতে ডুবে ছিল। কিন্তু ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর দেশ ধীরে ধীরে দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে মুক্ত হতে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, যে দল আজ বিএনপিকে দোষারোপ করছে, সরকারের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত তাদের দুই মন্ত্রীর বহাল থাকা প্রমাণ করে—আজ তারা নিজেরাই মিথ্যা কথা বলছে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তারেক রহমান ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে জনতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটের দিন সবাই তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে একসঙ্গে কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করবেন। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন। শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলেই হবে না, ভোটের ফলাফল কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিতে হবে—যাতে কেউ ভোট লুট করতে না পারে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের পর আবার দেখা হবে খাল খনন কর্মসূচিতে। সবাই কোদাল নিয়ে আসবেন, সেদিন আমিও থাকব।

এর আগে স্লোগানে স্লোগানে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান নেতাকর্মীরা। ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ ও ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’—এমন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে জনসভাস্থল। ময়মনসিংহের পক্ষ থেকে তাকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

মঞ্চে ওঠার পর স্থানীয় নেতারা তারেক রহমানের কাছে ময়মনসিংহের তারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানান।

জনসভায় এর আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য দেন। তারা নিজেদের মধ্যে সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় স্লোগান ওঠে— ‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।

শেয়ার করুন