ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু করতে রাষ্ট্রযন্ত্র সম্পূর্ণ প্রস্তুত: সেনাবাহিনী প্রধান
- আপডেট সময় : ০৩:৫৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট অত্যন্ত সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রযন্ত্রের সব সংস্থা পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুর জেলা পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সেনাপ্রধান বলেন, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে কোনো ধরনের ঘাটতি নেই। এ কারণে নির্বাচন ব্যর্থ হওয়ার কোনো সুযোগ বা অবকাশ নেই।
নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ভোটের সময় কোথাও কোথাও অর্থ লেনদেন বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমতকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ইতোমধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় কিছু চিহ্নিত অপরাধী বা দুষ্কৃতকারী থাকতে পারে। তবে তারা যেন কোনোভাবেই ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিতে না পারে, সে বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে। ভোটের দিন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা অপরাধ সংঘটিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে আটক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এদিন গাজীপুর সফরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন।
তিন বাহিনীর প্রধানরা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গাজীপুর জেলার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় ঢাকা বিভাগের গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।
সভায় নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে দায়িত্বরত সব সদস্যকে পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা ও ধৈর্যের সঙ্গে নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন বাহিনীগুলোর প্রধানরা।
বিশেষ করে ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রম তদারকি করে তারা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় সভায় অসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।










