ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমীন হ*ত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন আসামি সাদুল্লাপুরে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাকিব, দেখতে জনতার ভিড় আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সহযোগিতার আশ্বাস তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করতে লাগবে গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে ৫০ কেজি কষ্টিপাথর উদ্ধার, আটক ২ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন ইউনিট, জনবল ৪ হাজার ৫৯২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে শ্রীপুরে অভিভাবকের সন্ধানে শিশু, নিরাপদে রাখা হয়েছে দোকানে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার সম্পন্ন করল যুক্তরাষ্ট্র

  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার সম্পন্ন করল যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক রিপোর্ট :
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এক বছর আগে শুরু হওয়া প্রত্যাহার প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) ও পররাষ্ট্র দপ্তর।

এইচএইচএসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের মতে ডব্লিউএইচও তার মূল উদ্দেশ্য থেকে সরে গেছে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার ও জবাবদিহিতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় সংস্থাটির ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছে।

ওই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, কোভিড-১৯-কে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা দিতে ডব্লিউএইচও অযথা বিলম্ব করেছে। পাশাপাশি সংস্থাটি একাধিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী অবস্থান নিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, চীনসহ অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে বেশি আর্থিক অনুদান দিয়ে আসলেও সংস্থাটির ইতিহাসে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক মহাপরিচালক হননি। নিয়ম অনুযায়ী, ডব্লিউএইচও ছাড়তে হলে এক বছর আগে সংস্থাটিকে জানাতে হয়। সেই নিয়ম মেনেই গত বছর নির্বাহী আদেশ জারির পর যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহারের নোটিশ দেয়।

ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ১৩৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান এখনো বকেয়া রয়েছে। তবে এইচএইচএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ডব্লিউএইচওর সংবিধান অনুযায়ী এই অর্থ পরিশোধে যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে বাধ্য নয় বলে ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ডব্লিউএইচওর বাইরে থেকেও যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য কার্যক্রমে সক্রিয় থাকবে। এইচএইচএসের এক কর্মকর্তা জানান, বিশ্বের ৬৩টি দেশে তাদের দুই হাজারের বেশি কর্মী কাজ করছেন এবং শতাধিক দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় স্বাস্থ্য সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে। রোগ পর্যবেক্ষণ, রোগনির্ণয় ও মহামারি মোকাবিলায় এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এদিকে ডব্লিউএইচওর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার ইস্যু আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের বৈঠকে আলোচিত হবে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার সম্পন্ন করল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০২:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এক বছর আগে শুরু হওয়া প্রত্যাহার প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) ও পররাষ্ট্র দপ্তর।

এইচএইচএসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের মতে ডব্লিউএইচও তার মূল উদ্দেশ্য থেকে সরে গেছে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার ও জবাবদিহিতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় সংস্থাটির ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছে।

ওই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, কোভিড-১৯-কে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা দিতে ডব্লিউএইচও অযথা বিলম্ব করেছে। পাশাপাশি সংস্থাটি একাধিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী অবস্থান নিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, চীনসহ অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে বেশি আর্থিক অনুদান দিয়ে আসলেও সংস্থাটির ইতিহাসে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক মহাপরিচালক হননি। নিয়ম অনুযায়ী, ডব্লিউএইচও ছাড়তে হলে এক বছর আগে সংস্থাটিকে জানাতে হয়। সেই নিয়ম মেনেই গত বছর নির্বাহী আদেশ জারির পর যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহারের নোটিশ দেয়।

ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ১৩৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান এখনো বকেয়া রয়েছে। তবে এইচএইচএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ডব্লিউএইচওর সংবিধান অনুযায়ী এই অর্থ পরিশোধে যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে বাধ্য নয় বলে ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ডব্লিউএইচওর বাইরে থেকেও যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য কার্যক্রমে সক্রিয় থাকবে। এইচএইচএসের এক কর্মকর্তা জানান, বিশ্বের ৬৩টি দেশে তাদের দুই হাজারের বেশি কর্মী কাজ করছেন এবং শতাধিক দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় স্বাস্থ্য সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে। রোগ পর্যবেক্ষণ, রোগনির্ণয় ও মহামারি মোকাবিলায় এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এদিকে ডব্লিউএইচওর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার ইস্যু আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের বৈঠকে আলোচিত হবে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন