ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি আপেল মাহমুদ এর নানা অপকর্মের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১০:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
- / ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) Apple Mahmud-কে ঘিরে আবারও নানা অভিযোগ ও বিতর্ক সামনে এসেছে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা এই পুলিশ কর্মকর্তা বিচ এলাকায় প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। স্থানীয় কিছু সূত্রের দাবি, বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ও জেলা প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া সৈকতের একটি অংশ ভাড়া দিয়ে অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে।
অনুমোদন ছাড়া বিজ্ঞাপন স্থাপনের অভিযোগ
সম্প্রতি কক্সবাজারের লাবণী থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় একটি রড কোম্পানির বিজ্ঞাপন বসানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, ট্যুরিস্ট পুলিশের তত্ত্বাবধানে এসব বিজ্ঞাপন স্থাপন করা হয়।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানান, জেলা প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া বিচ এলাকায় এ ধরনের বিজ্ঞাপন বসানোর কোনো সুযোগ নেই।
সরকারি স্থাপনা ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ
আরও অভিযোগ রয়েছে, পর্যটকদের জন্য নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার, অভিযোগ কেন্দ্র, পুলিশ বক্স এবং সরকারি জেট স্কি অবৈধভাবে ভাড়া দিয়ে অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, লাবণী পয়েন্টের একটি ওয়াচ টাওয়ারকে রেস্টুরেন্টে রূপান্তর করে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল।
বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ
কিছু স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দার অভিযোগ, বিচ এলাকায় দোকান বসানো, চাঁদাবাজি, মাদক এবং অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়ার ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি।
ব্যক্তিগত অভিযোগও সামনে
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ও গুরুতর কিছু অভিযোগও ছড়িয়েছে। তবে এসব বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা বা আদালতের রায় এখনো পাওয়া যায়নি।
আপেল মাহমুদের প্রতিক্রিয়া
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসপি আপেল মাহমুদ দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এবং তিনি বিষয়গুলো সমাধানের চেষ্টা করছেন।
তদন্তের দাবি
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অভিযোগগুলো গুরুতর হওয়ায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করা প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।










